fbpx

কঠোর লকডাউনেও চাঙ্গা দেশের শেয়ারবাজার

Pinterest LinkedIn Tumblr +

সারাদেশে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের মাঝেও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে দেশের শেয়ার বাজার। গেল সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূলধন বেড়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

ডিএসই থেকে জানা যায়, গেল সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী ছিল। ফলে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দামের সঙ্গে মূল্যসূচকও বেড়েছে।

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে যার পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা। সে হিসেবে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা।

এদিকে এক সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১২৪ দশমিক ৮৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেড়েছে। এর আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ৫৫ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

লকডাউনের সময়ে ডিএসই-৩০ সূচকেরও উত্থান হয়েছে। গেল সপ্তাহে এই সূচকটি বেড়েছে ৬০ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

লকডাউনের দুই সপ্তাহে ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে এই সূচক বেড়েছে ২৮ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ১১ দশমিক ৪২ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৫ শতাংশ।

একইসঙ্গে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ডিএসইতে দাম বেড়েছে ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৩টির।

ডিএসইতে সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে ৮৫১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে গড়ে এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৫০৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৩৪৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা বা ৬৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ২৫৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৯ কোটি ২২ লাখ টাকা। সে হিসেবে মোট লেনদেন বেড়েছে ২ হাজার ২৪০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বা ১১০ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, রবি, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সামিট পাওয়ার এবং অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স।

Share.

Leave A Reply