fbpx

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলায় নে‌ওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

Pinterest LinkedIn Tumblr +

বাংলাদেশে আঘাত না হানলেও ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ৯টি জেলার ২৭টি উপজেলায় জোয়ারের পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান।

বুধবার মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জোয়ারের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত এসব উপজেলার মানুষের সহায়তায় সাড়ে ১৬ হাজার প্যাকেটজাত খাবার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক, উপজেলার নির্বাহী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবকরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন এবং  প্রয়োজন অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ  করেছেন। তাদেরকে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রী ও অর্থ বরাদ্দ দেওয়া আছে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মৎস ও কৃষিজীবী যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদেরকে স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এনামুর রহমান বলেন, ‘আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মৎস্যজীবী যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মৎস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে তাদের স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়া হবে। যাদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে তাদের কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে স্বল্প সুদে ঋণ এবং বিনা মূল্যে বীজ, চারা ও সার সরবরাহ করা হবে।‘

বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি আছে। সেটার সভা করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যদি কোনো বাঁধ ভেঙে যায় তাহলে পনি সম্পদ মন্ত্রণালয় সেটি দেখবে। সাথে সাথে সারিয়ে ফেলার জন্য তারা কাজ করবে। যে যে জেলায় বাঁধ ভেঙে গেছে, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় তত্ত্বাবধানে সেসব বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে।‘

করোনাকালে এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগেও দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে মাস্ক ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

Share.

Leave A Reply