fbpx

ঝালকাঠির ফসলে সাড়া ফেলেছে জৈব বালাই দমন পদ্ধতি

Pinterest LinkedIn Tumblr +
Advertisement

বরিশালের ঝালকাঠি জেলার ৪ উপজেলায় পোকা দমনে নতুন পদ্ধতি সাড়া ফেলেছে কৃষকদের মধ্যে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে বোরো খেতে চলছে ক্ষতিকারক পোকা দমনে জৈব বালাই দমন পদ্ধতি বা পার্চিং পদ্ধতি। এটি এলাকার কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, পার্চিং হলো একটি জৈবিক বালাই ব্যবস্থা, যাতে ডালপালায় বসে পাখি বিভিন্ন পোকা খেয়ে ফেলে। ফলে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না।

সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের প্রান্তিক চাষি মো. শাহীন বলেন, ‘ আগে আমরা ধানখেতে কীটনাশক ব্যবহার করতাম, এখন কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে খেতে গাছের ডাল বসিয়ে দেই, সেখানে পাখি বসে পোকা খেয়ে ফেলে, তাই কীটনাশক লাগে না। এতে আমাদের খরচও অনেক কম হয়।’

ঝালকাঠির ফসলে সাড়া ফেলেছে জৈব বালাই দমন পদ্ধতি

কৃষকরা জানান, খেতে পাখি বসে পোকা খেয়ে ফেলে, তাই কীটনাশক লাগে না। এতে আমাদের খরচও অনেক কম হয়। ছবি : সংগৃহীত

স্থানীয়রা জানান, এ পদ্ধতিতে কৃষকরাও বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। খেতে গাছের ডাল পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এতে পাখি বসে বোরো ধানের ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলায় কৃষকদের বাড়তি কোনো কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে না। ফলে বোরো উৎপাদনে খরচ কম হচ্ছে লাভবান হচ্ছে কৃষক। অন্যদিকে রক্ষা পাচ্ছে পরিবেশ। খেতে খেতে শোভা পাচ্ছে সহজলভ্য গাছের ডাল।

ঝালকাঠির উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিকা বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আমরা চাষিদেরকে নিয়মিত পার্চিং ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। এতে যেমন আর্থিক লাভবান হওয়া যায় তেমনি পরিশ্রমও কম হবে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এ সম্পর্কে গণমাধ্যমকে বলেন,                ‘কৃষিমন্ত্রী মহোদয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ডিজির নির্দেশনায় আমরা জেলায় শতভাগ পার্চিংয়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

Advertisement
Share.

Leave A Reply