fbpx

১৯ মাস পর পর্যটকদের জন্য খুলছে ভারতের সীমান্ত

Pinterest LinkedIn Tumblr +

প্রায় ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে পর্যটকদের জন্য নিজেদের সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিচ্ছে ভারত। শুক্রবার থেকেই ভারত চার্টার্ড ফ্লাইটে আসা ভ্রমণকারীদের পর্যটন ভিসা দেবে। পাশাপাশি আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে করে আসা পর্যটকদের জন্য ভিসা প্রদানের সময়কাল আরও বাড়ানো হবে বলে বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

ভারতে ধীরে ধীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বিবিসি বলছে, এই ১৯ মাস পর যারা শুক্রবার ভারত আসবেন, তারাই দেশটিতে দীর্ঘ সময় পর পর্যটক হিসেবে পা রাখবেন।

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২০ সালের মার্চে দেশের সীমানা বন্ধ করে দেয়। এরপর সেখানে আর কোনো পর্যটক ভিসা জারি করা হয়নি।তবে গত কয়েক মাসে কূটনীতিক ও উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তাদের জন্য এ নিয়ম শিথিল করা হয়। তবে অক্টোবরের শুরুতে বিদেশি পর্যটকদের ভারত ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হয়।

পর্যটন খুলে দিলেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞ ও সরকারি কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের ‘সুপার স্প্রেডার’ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে পর্যটকদের আবার ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়ায় দেশটির ভুগতে থাকা এ খাত পুনরুজ্জীবিত হবে বলেই আশা করছেন তারা।

ভারতের সরকারি তথ্যানুসারে, গত বছর ভারত মাত্র ২৭ লাখ ৪০ হাজার পর্যটক আকর্ষণ করেছিল, যা ২০১৯ সালে ছিল ১ কোটি ৯ লাখ। মহামারির কারণে এ খাতের ব্যবসা বন্ধ হয়ে ছিল।

দেশটির জিডিপির বড় একটি অংশ পর্যটন খাতের ওপর নর্ভরশি। ভারতের মোট জিডিপির ৭ শতাংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। পাশাপাশি লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানও নির্ভর করে এ খাতের ওপর। তপবে মহামারির আঘাতে ভারত সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

নতুন বিধিমালার অধীন ১৫ অক্টোবরের আগে ইস্যু করা সব পর্যটন ভিসা বাতিল হবে। অর্থাৎ ভারত ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের অবশ্যই নতুন ভিসা সংগ্রহ করতে হবে। তবে এখন পর্যন্ত করোনা টিকা নেওয়া বা কোয়ারেন্টিন বা করোনা পরীক্ষার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

Share.

Leave A Reply