fbpx

বিয়ের খরচ কমানোর পাঁচ উপায়

Pinterest LinkedIn Tumblr +

শীত আসছে। সেই সাথে চারপাশে যেন বিয়ের বাদ্যিও বাজছে। বিয়ে নিয়ে কত স্বপ্ন, কত রকম পরিকল্পনা তো সবারই থাকে। সাথে থাকে খরচের চিন্তাটাও । বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বিয়ে মানেই খরচাপাতির জন্য কপালে ভাঁজ।

আপনার খুটি-নাটি শখ পূরণ করেও কিন্তু  বিয়ের খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারেন। এমন পাঁচটি উপায় দেখে নিন-

১. খাবার: অনেকেরই ধারণা দামি দামি খাবার খাওয়ালে অতিথিরা বেশ খুলি হবে। তাই বিদেশি পদও রাখতে ছাড়েন না। কিন্তু বিষয়টা একেবারেই ভুল। কারণ খাবার যতই দামি হোক, কেউ না কেউ তাতে খুঁৎ খুঁজে বেড়াবেই বেড়াবে। আবার বিদেশি খাবারের সাথে অনেকে অভ্যস্তও না। তো বাজেট কমিয়ে নিশ্চিন্তায় দেশি খাবারের ব্যবস্থা করুণ। একেবারে ডাল-চচ্চরি দিয়ে শুরু করে রুই মাছের ঝোল দিন অতিথিদের পাতে। দেখবেন চেটে-পুটে খেয়ে নিয়েছে অতিথিরা। আর যারা খারাপ বলার তারা তো বলবেই, সে যত ভাল হোক।

২. বিয়ের ভেন্যু: আপনার বাড়ির ছাদ যদি বড় হয় , বা বাড়ির সামনে বড় উঠোন থাকে সেখানেই সেড়ে ফেলুন বিয়ে। আশে পাশের বড় কোনো মাঠ থাকলে সেখানেও ডেকরেশন করে আয়োজন করতে পারেন। অকারণে কমিউনিটি খরচা বাড়িয়ে লাভ নেই তো। আর একান্তই যদি ভাড়া জায়গায় বিয়ে করতে হয় তাহলে বড় কোনো হোটেলে না গিয়ে অল্পের মধ্যে বড় কোনো কমিউনিটি সেন্টার খুঁজুন। একটু আগে থেকে বুকিং দিলে কম খরচে সরকারি-বেসরকারি কমিউনিটি সেন্টার পেয়ে যাবেন।

৩. ফটোগ্রাফি: বিয়ের দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে কে না চান। তবে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফিতে অনেকেই বেশি খরচ করে ফেলেন। আপনি ইচ্ছে মতই ছবি তুলুন। কিন্তু বাড়ির পাশের যেই ছেলে বা মেয়েটি ক্যামেরা নিয়ে সারা দিন ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেশ ভাল ছবি তোলে বলে ফেবুতে আপনিও প্রশংসা করেছেন। ক্ষতি কি, বিয়ের ছবি যদি তাকে দিয়েই তুলিয়ে নেন অল্প খরচে। এমন তো নয় যে প্রতিষ্ঠিত ফটোগ্রাফার হলেই সব সময় ভাল ছবি তুলবে।

বিয়ের খরচ কমানোর পাঁচ উপায়

ছবি: সংগৃহীত

৪. পোশাক: অনেকেই বিয়ের পোশাক খুব দাবি ও চাকচিক্যে ভরা চান। এতে কি হয় বলেন তো? অন্যদের সাথে আপনার কোনো পার্থক্য থাকে না। একদম একেই ঘরানার হয়। এর থেকে ভাল হয় না, কম খরচে রুচিসম্মত পোশাক পরে অন্যকে চমকে দেয়া। যেমন ধরুণ ভাল মানের সুঁতি বা জামদানি শাড়ি পরলেন কনে আর বর পরলেন শিউলি ছোপানো পাঞ্জাবী। এতে কি হবে, বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারি পোশাকের জন্য আপনার অস্বস্তিও হবে না। অন্যের নজড়ও কাড়্বেন, পকেট খরচও কম হবে।

৫. অন্যান্য খরচ: বিয়েতে আরও কিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ হয়। একে দিতে হবে, ওকে দিতে হবে নানা রকম খরচা। চোখবুজে এসব বাদ দিয়ে কেনা কাটা করুন। খরচ রাখুন আপনার সাধ্যের মধ্যে। চাইলে খুব কাছের আত্মিয়-সজনদের জন্য কিছু কিনতে পারেন।  অপ্রয়োজনীয় জিনিসও কেনা এড়িয়ে চলুন। একেবারেই প্রয়োজনীয় জিনিস তালিকা করে কেনাকাটা করুন।

এবার আপনার বেঁচে যাওয়া অর্থ দিয়ে বরং ঘুরতে যান। নতুন সংসার সাজাতে কিছু কিনুন। জীবন রাখুন সরল। থাকুন ভালবাসায়।

Share.

Leave A Reply